পটুয়াখালীর চাঞ্চল্যকর জাহাঙ্গির হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাকিব গাজীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত করে গ্রেপ্তার অভিযান চালায়।
শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তকে গভীর রাতে বরিশালের উজিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২ জুন শহরের ফটিকের খেয়াঘাট এলাকার সিকদার গেস্ট হাউসের ম্যানেজার জাহাঙ্গির ফকিরের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে পালিয়ে যায় সাকিব। আটদিনে বরিশাল, বরগুনা, ঢাকার কাকরাইল মসজিদসহ বিভিন্নস্থানে আত্মগোপনে থাকার পর উজিরপুরে খালার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ।
নিহত জাহাঙ্গির ফকির দুমকির উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদী গ্রামের মৃত জয়নাল ফকিরের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাকিব গাজী ওই গেস্ট হাউজে প্রায়ই মাদক সেবন করতেন। তিনি সেখানে চাঁদাবাজিও করতেন। ঘটনার দিন মালিকের নির্দেশে রুমের চাবি ও চাঁদা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে পেট্রোল ঢেলে জাহাঙ্গিরের শরীরে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় সে।
মুমূর্ষু অবস্থায় জাহাঙ্গিরকে ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ জুন তার মৃত্যু হয়। পেট্রোলের আগুনে তার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
আরও পড়ুন: দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে ব্যবসায়ীর গলা কেটে হত্যা
এঘটনায় ৬ জুন জাহাঙ্গিরের ছোট ভাই জামাল হোসেন ফকির সাকিব গাজীকে প্রধান আসামিসহ দুইজন এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা আরো চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা করেন। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।
একাত্তর/আরএ