আন্দোলনে বন্ধ সিরাজগঞ্জের ইপিজেড কার্যক্রম

সরকারের খাস জমিতে বসবাসকারীদের আন্দোলনে বন্ধ হয়ে আছে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন তৈরির কার্যক্রম। সরকারের কাছ থেকে এককালীন অনুদান পেলেও এবার ভূমির মূল্য ও ঘরবাড়ি-গাছপালার ক্ষতিপূরণ চাইছেন তারা। তবে তাদেরকে জমির দাম দেয়ার আইনগত সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। অথচ খাসজমিতে বসবাসকারীরা জমি না ছাড়ায় কাজ করতে পারছে না অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ।

২০১৭ সালে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার। এজন্য অধিগ্রহণ করা হয় সিরাজগঞ্জ সদর ও বেলকুচি উপজেলার বড় শিমুল, চক বয়ড়া, বয়ড়া মাসুম, বড় বেড়া খাড়ুয়া মৌজার এক হাজার ৪২ একর জমি।

অধিগ্রহণ করা এসব জমির মধ্যে ৯৮০ একরই সরকারের খাস জমি। এরপরও এসব জমিতে বসবাসকারীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এককালীন অনুদান দেয় সরকার। কিন্তু তবু জমি ছাড়ছেন না তারা। জমির দাম আর গাছপালা-ঘরবাড়ির ক্ষতিপূরণের জন্য চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলন।

খাস জমিতে বসবাসকারী জানান, গাছপালার ক্ষতিপূরণ, ঘরবাড়ির বিল দিলে তারা দ্রুতই জমি খালি করে দিবেন। একইসাথে তারা পুনর্বাসনের জায়গাও দাবি করেন।

এদিকে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, অনুদান নেয়ার সময় ভূমিস্বত্ব ত্যাগ করে মুচলেকা দিয়েছেন খাস জমিতে বসবাসকারীরা। জমির মূল্য পেতে তাদের কোন আইনগত সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে নজর কাড়ছে ‘মহারাজ’

জেলা প্রশাসক মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের অনুদান দেওয়া হয়েছে। আমি মনে করিনা তাদের আর কোনও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ আছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার মানুষের দাবি দ্রুত এই ইকোনমিক জোনের বাস্তবায়ন। তাই ক্ষতিপূরণ জটিলতা কাটাতে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ চান তারা।

একাত্তর/আরএ