পটুয়াখালীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শ্বশুবাড়ির লোকজনের দাবি, দাঁত ব্যথা সহ্য করতে না পেয়ে জামাই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর পরকীয়ার বলি হয়েছেন তিনি। তবে পরিবার দুটির ভাষ্য ও দাবি মাথায় রেখে তদন্ত করছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের হিন্দু গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের নাম লিমন মণ্ডল (রতন)। তিনি গলাচিপা উপজেলার পৌর এলাকার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তপন মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানানা, সাত বছর আগে রতন ওই গ্রামে বিয়ে করেন। ওই দম্পতি দীর্ঘদিন পটুয়াখালী ও বরিশালে বসবাস করার পর দুই মাস আগে সন্তানসহ শ্বশুরবাড়ি চলে আসেন। এখানে ফার্মেসি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ড (দক্ষিণ চরমোন্তাজ) ইউপি সদস্য মোশাররফ মাতুব্বর বলেন, বৃহস্পতিবার রতন আমার কাছ থেকে পরিচয় পত্র ও এর দুই দিন আগে ফার্মেসির লাইসেন্স করতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছিল।
রতনের ভাই মিঠন মণ্ডলের দাবি, এটা স্বাভাবিক মৃত্যু না। মৃত্যুর আগে দাদা জানিয়ে গেছে, বৌদির সঙ্গে অন্য কারো পরকীয়ার সম্পর্ক আছে। ওই ছেলে দাদাকে বেশ কয়েকবার হুমকিও দিয়েছে। আমি তাকে চিনি।
এদিকে রতনের স্ত্রী ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাতে স্বামী দাঁতের যন্ত্রণায় কথা বলেছিল। এরপর ওষুধ এনে খেয়েছে। তারপর মেয়েকে নিয়ে এক সঙ্গে ঘুমিয়েছে। সকালে উঠে দেখি গলায় ফাঁস দিয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে বসতঘরের আগুনে পুড়ে ছাই প্রতিবন্ধী শিশু
এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে ভোর পাঁচটার দিকে। আমরা সকাল আটটার দিকে খবর পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে গলায় দাগ দেখা গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এখন অপমৃত্যু একটি মামলা হয়েছে।
একাত্তর/এসি