বিনিময়ের আট বছরে যেমন আছে কুড়িগ্রামের ছিটমহলগুলো

বিনিময়ের আট বছরে বদলে গেছে কুড়িগ্রামের বিলুপ্ত ছিটমহলগুলো। যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ নাগরিক অধিকার ফিরে পাওয়ায় এখানকার মানুষ এখন অনেক আত্মবিশ্বাসী।

বাংলাদেশের সীমানায় যুক্ত হবার পর প্রতিটি ক্ষেত্রের উন্নয়ন হলেও, আরও বেশি নাগরিক সুবিধা ও আলাদা একটি ইউনিয়নের দাবি এখানকার মানুষের।

বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের সবচেয়ে বড় ছিটমহল ছিল দাসিয়ারছড়া, যা এখন বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার একটি গ্রাম।

দাসিয়ারছড়া সহ কুড়িগ্রাম জেলায় যুক্ত হয়েছে ভারতের মোট ১২টি ছিটমহল। এক সময়ের অন্ধকারাছন্ন, শ্রীহীন, পিছিয়ে পড়া এসব এলাকায় এখন শতভাগ বিদ্যুত, অলিগলিতে পিচঢালা পথ, স্বাস্থ্যকেন্দ্র আর বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

তবে দাবি আছে আরও। বাংলাদেশে যুক্ত হওয়া এসব গ্রাম নিয়ে আলাদা ইউনিয়ন চায় এখানকার মানুষ। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাই শুধু দাসিয়ারছড়াকে হাসিনানগর ইউনিয়ন করার দাবি জানান তারা। 

ফুলবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন দাস জানান, এরই মধ্যে ছিটমহলে সরকারের নেয়া বেশিরভাগ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এখানকার মানুষদের মূল স্রোতে ফেরাতে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে শিশুকেন্দ্র

২০১৫ সালের পহেলা আগস্ট প্রথম প্রহরে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় করে বাংলাদেশ ও ভারত। এরমধ্যে ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল যুক্ত হয় বাংলাদেশের সাথে। 

একাত্তর/জো