শেরপুর সদর উপজেলায় দশ বছরে কমেছে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার। সদরের সাতটি ইউনিয়নে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে সচেতনতা তৈরির কাজ করছে একটি শিশুকেন্দ্র।
এখানে সপ্তাহের ছয়দিন সকাল নয়টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের তত্ত্বাবধানে থাকে শিশুরা। শিশুদের নিরাপদ রাখতে পেরে খুশি অভিভাবকেরাও।
বাংলাদেশে প্রতিদিন ৪০টি শিশুর মৃত্যু হয় পানিতে ডুবে। সকাল নয়টা থেকে বেলা একটার মধ্যে বয়স্করা যখন কাজে ব্যস্ত থাকেন, তখনই পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটে।
এমন দুর্ঘটনা কমাতে শেরপুর সদর উপজেলায় নিরাপদ শিশু কেন্দ্র আঁচল তৈরি করেছে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন এন্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) নামের এক এনজিও। সপ্তাহের ছয় দিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ৯ মাস থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের এসব কেন্দ্রে রাখা হয়। আঁচল-এ শিশুদের নিরাপদ রাখতে পেরে খুশি স্থানীয়রা।
আঁচল কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানান, এখানে শিশুদের প্রাক-প্রাথমিকের নানা শিক্ষাও দেওয়া হয়।
সিআইপিআরবি শেরপুর সদর উপজেলা সমন্বয়কারী আবদুল্লাহ আল কাফি দাবি করেন, গত দশ বছরে আঁচলের কার্যক্রমে জেলা সদরের সাতটি ইউনিয়নে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার কমেছে অন্তত ৫০ ভাগ।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ভাঙন ঠেকাতে নদীতীরে স্থায়ী বাঁধের দাবি
সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন এন্ড রিসার্চের দেয়া তথ্যানুযায়ী, শেরপুর সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে এখন কাজ করছে ৪৫৭টি আঁচল কেন্দ্র।
একাত্তর/জো
