যেভাবে রাতের আঁধারে ঢুকছে চোরাই চিনি

ভারতীয় চোরাই চিনি পরিবহনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে ছোট নৌকা। যেসব নৌকা দিনে চোরাই বালু ও পাথর পরিবহন করে সেগুলোই রাতে বহন করে চোরাই চিনি। নৌকায় আনা এসব চিনি ঘরে পৌঁছে দেয়া হয় ডি. আই. ট্রাকে। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, চিনি চোরাচালান বন্ধে অভিযান চালাচ্ছে তারা।

একটি প্রভাবশালী মহল সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার সারি নদীর সারি-৩ অঞ্চল থেকে দিনে-দুপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে। যদিও মামলা চলমান থাকায় এখন বালু তোলা নিষিদ্ধ।

নদী থেকে তোলা বালু বহন করা নৌকাগুলো যখন ভারত থেকে চোরাই চিনি আনার কাজে ব্যবহার হয় তখন এগুলো ভাড়া হয়ে যায় দিনে ২৫ হাজার টাকায়। এসব নৌকায় প্রতিবার ভারত থেকে আসে ৫০ কেজির ১০০ বস্তা চিনি।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের মুক্তাপুর থেকে ডিবির হাওড় দিয়েও নৌকায় করে জৈন্তাপুরে চিনি ঢোকে। চিনি আসে গোয়াইনঘাটের লনঝুরি, তামাবিল, সোনাটিলা ও জাফলং জিরো পয়েন্ট দিয়েও।

অভিযোগ আছে, প্রতি বস্তা চোরাই চিনি থেকে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানিগঞ্জ ও কানাইঘাটের ওসি নেন ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। যদিও এমন অভিযোগ অস্বীকার করলেন তারা। 

জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, অভিযোগগুলো সত্য না। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি।

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ওসি কে এম নজরুল বলেন, গতমাসেও ৫৩ বস্তা চিনি জব্দ করে আমরা একজনকে মামলা দিয়েছি। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি।

আরও পড়ুন: আইভি স্যালাইনের সঙ্কট, দাম বেড়েছে কয়েক গুণ

অভিযানের নামে যে চিনি জব্দ কারা হয়, সেগুলো চিনি আবার তার কাছেই বিক্রি করার অভিযোগও আছে চার থানার ওসিদের বিরুদ্ধে।


একাত্তর/আরএ/কেএসএইচ