কুমিল্লার চকবাজার এলাকায় বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত হয়েছে অন্তত পাঁচজন। ঘটনাস্থল থেকে প্লাস্টিক ব্যাগ ভর্তি ১৫টি হাতবোমা ও পেট্রোলবোমা উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিক্ষেপ করা হয়েছে টিয়ারশেল।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় কুমিল্লা জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আলী আক্কাস ও মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক রেজাউল হক আখিসহ সাত বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, রোববার সকাল ৮টার দিকে নগরের ভিক্টোরিয়া কলেজ রোড থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন, সদস্য সচিব হাজী জসিম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক উৎবাদুল বারী আবু ও সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপুর নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে জেলা ও মহানগর বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল কান্দির পাড় থেকে চকবাজার অভিমুখে যাওয়ার সময় পুলিশ বিক্ষোভ মিছিলটিকে বাধা দেয়।
বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে চকবাজার এলাকায় যাওয়ার পর মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে। পুলিশও পাল্টা টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে মিছিলটিকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে প্লাস্টিক ব্যাগ ভর্তি প্রায় ১৫টি হাতবোমা ও পেট্রোলবোমা উদ্ধার করে সেসব নিষ্ক্রিয় করা হয়। পুলিশসহ আহত পাঁচজনকে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে টায়ার ও খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।
মহাসড়কে খুবই কম যানবাহন চলছে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে পরিবহনের সংখ্যা।
কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. কামরান হোসেন বলেন, যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। চকবাজারে বিএনপির হামলায় পুলিশসহ পাঁচজন আহত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত সাতজনকে আটক করা হয়েছে। চকবাজার এলাকা থেকে বিএনপির ফেলে যাওয়া ব্যাগ ভর্তি প্রায় ১৫টি হাতবোমা ও পেট্টোলবোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ।