‘শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো মরদেহ হস্তান্তর করা হবেনা’

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ গ্রুপের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরিচয় মেলেনি কারোই। পরিচয় শনাক্তে মরদেহগুলার ডিএনএ টেস্ট করা হবে। তারপর পরিচয় শনাক্ত হলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো মরদেহ হস্তান্তর করা হবেনা বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরুন নবী।

শুক্রবার (৯ জুলাই) রাত দশটার দিকে তিনি জানান, এখনও পর্যন্ত ১৯টি মরদেহের অ্যাগিনেস্টে ২৬ জনের  কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম মৃতদের দাবিদার বা মিসিংদের স্বজনদের নিকট থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছেন।

আরও পড়ুন: পরিচয় মেলেনি কোনো মরদেহের, করতে হবে ডিএনএ টেস্ট

নুরুন নবী বলেন, যারা দাবিদার রয়েছেন তাদের সিআইডি কাছে নমুনা দিতে হবে। মরদেহ দেখে যেহেতু চেনা যাচ্ছে না, সে ক্ষেত্রে আমরাও মরদেহ হস্তান্তর করতে পারছি না।

মরদেহগুলো কোথায় রাখা হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাহলে উদ্দিন বলেন, আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এখনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

মর্গ সূত্রে জানা গেছে মর্গে চারটি মরচুয়ারী সচল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে চারটি মরদেহ রাখার মত ব্যবস্থা রয়েছে। বাকিগুলো অন্য মরদেহ দিয়ে ফিলাপ। আপাতত এসি ছেড়ে দিয়ে মরদেহগুলো রুমে রাখা হবে।

আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে হতাহতরা বেশিরভাগই শিশু-কিশোর

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের হাশেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের পর ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৪৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল অগ্নিকাণ্ডের সময় উদ্ধার করা হয়েছিল আরও ৩ জনের মরদেহ।


একাত্তর/আরএ