বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে পাঁচ শতাধিক কোরবানির পশুবাহী ও পন্যবাহী ট্রাক। দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে ঢাকার বিভিন্ন হাটে কোরবানির পশু বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘাটে অপেক্ষায় করছে ট্রাকগুলো। অগ্রাধিকার থাকলেও পশুবাহী ট্রাকগুলো কম পারাপার করছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।
শনিবার (১৭ জুলাই) সকালেও দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ রয়েছে বাংলাবাজার লঞ্চ ঘাটে।
বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঘাটে পশুবাহী ট্রাক, কাঁচামাল, এম্বুলেন্স ও লাশবাহী এ্যম্বুলেন্স আগে পারাপার করছে। তবে গত কয়েক দিন ধরে নৌরুটের পদ্মা নদীতে স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।
বাংলাবাজার ঘাটের স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার বিভিন্ন হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে গরু ব্যবসায়ীরা ট্রাকযোগে ঘাটে এসে জড়ো হচ্ছেন। কিন্তু তীব্র রোদ ও গরমে গরুগুলো অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। ট্রাকে ত্রিপল টাঙিয়ে পাখা দিয়ে বাতাস করে এবং গরুগুলোর মাথায় পানি ঢেলেও কাজ হচ্ছে না।
আরও পড়ুন: বিশ্বে করোনা আক্রান্তদের ০.৬ শতাংশের অবস্থা গুরুতর
মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, কোরবানির পশুবাহী ট্রাককে অগ্রাধিকার দিয়ে পারাপার করার জন্য ঘাটে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া আছে। প্রয়োজনে চারটি ঘাটের একটি ঘাট শুধু পশুবাহী ট্রাক, এ্যম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা পরিবহন পারাপারে নিয়োজিত থাকবে। পর্যায়ক্রমে ঘাটে আটকে পড়া পশুবাহী ট্রাক ও গাড়িগুলো পারাপার করা হচ্ছে।