পুলিশ কর্মকর্তা সোহেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রতারণার মামলায় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান এই আদেশ দেন। আদালতে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন সোহেল উদ্দিনের সাবেক স্ত্রী রিফাত জাহান।

এ ঘটনায় সোহেল উদ্দিনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারী পুলিশ সার্কেলে কর্মরত ছিলেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাদী রিফাত জাহানের সাথে ২০২২ সালের ৩০ এপ্রিল সোহেল উদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পরে সোহেল উদ্দিন তার স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি করলে রিফাত তার স্বামী সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে যৌতুকের মামলা করেন।

সোহেল উদ্দিন এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিফাতকে তালাক দেন। কিন্তু জালিয়াতির মাধ্যমে ডাক রশিদ বানিয়ে সোহেল উদ্দিন রিফাতকে তালাকের নোটিশ পাঠালে রিফাত জালিয়াতির আরেকটা মামলা করেন। এছাড়া রিফাতকে মারধরের অভিযোগে সোহেল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন রিফাত।

 গত ২৫ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসে রিফাতকে মামলা তিনটি প্রত্যাহার করতে বলে সোহেল জানান, মামলাগুলো প্রত্যাহার করলে তিনি ওইদিনই রিফাতকে ফের বিয়ে করবেন।

এসময় সোহেল উদ্দিন রিফাতকে একটি বিয়ের শাড়ি দেন। রিফাত আসামি সোহেল উদ্দিনের কথা বিশ্বাস করে ওইদিন মামলা তিনটি তিন আদালত থেকে প্রত্যাহার করে নেন।

মামলা প্রত্যাহারের পর সোহেল উদ্দিন ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অঙ্গন থেকে কৌশলে পালিয়ে যান। পরে তিনি আর রিফাতের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।

বাদী পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল কবীর বাবুল।