এক রাতে ১৭ মিটার চুরি, বিকাশে টাকা দিলেই ফেরত!

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে রাতের অন্ধকারে বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করায় গত পাঁচদিন ধরে বন্ধ রয়েছে রাইস মিল, স-মিলসহ ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন শতাধিক কর্মজীবী শ্রমিক। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এক রাতে ১৭টি মিটার চুরি করে মিটারের জায়গায় চিরকুট রেখে গেছে চোরচক্র। চিরকুটে লেখা "মিটার পেতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই নম্বরে"। এরপর মিটার মালিকরা যোগাযোগ করলে মিটার প্রতি ১২-১৫ হাজার টাকা দাবি করছে চোরচক্র।

বিকাশে টাকা নিয়ে মিটার ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে চোরচক্রের সদস্যরা। অর্ধেক বা কম টাকা দিলেও মিলছে না মিটার। এমন ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। 

মিটার চুরির কারণে গত পাঁচদিন ধরে বন্ধ রয়েছে গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ১৭টি রাইস ও স-মিল। এতে বেকায়দায় পড়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরা। কাজ না থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন শতাধিক শ্রমিক। 

এদিকে চোরচক্র মিটার ফেরত দিতে টাকা দাবির পাশাপাশি দিচ্ছে হুমকি। বিদ্যুৎ অফিস থেকে মিটার নিলে রাতের অন্ধকারে মিল পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে মিলমালিকদের। এই অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা। অন্যদিকে, থানায় অভিযোগ দেয়ার পরেও ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। 

গোমস্তাপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, চোরচক্রের রেখে যাওয়া ফোন নম্বরের সূত্র ধরে তদন্তকাজ শুরু করেছে পুলিশ। শিগগিরিই চোরদের আটক করার আশ্বাস এ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার। 

এর আগে গত সোমবার দিনগত রাতে গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর, রহনপুর, চৌডালা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ১৭টি মিটার চুরির ঘটনা ঘটে।