করোনা শনাক্তের হার কমার সঙ্গে সঙ্গে কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড় বেড়েছে। ছুটির দিনে দুই লাখের বেশি পর্যটক অবস্থান করছেন কক্সবাজারে।
কিন্তু, স্বাস্থ্যবিধি মানার কড়াকড়ি থাকলেও বেশিরভাগ পর্যটকই তা মানছেন না। এতে করে সংক্রমণ ঝুঁকি আবারো বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে সম্প্রতি পর্যটকের ডুবে যাওয়া প্রতিরোধ, উদ্ধার অভিযান ও সৈকত নিরাপত্তায় একটি সচেতনতা মূলক মহাড়া চালায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
কক্সবাজার সৈকত আবারো খুলে দেওয়ার পর থেকে প্রতিদিন এমন সচেতনতামূলক নানা মহাড়া করেন, ফায়ার সার্ভিস, বিচ কর্মী ও লাইফগার্ডের কর্মীরা।
যত দিন যাচ্ছে সৈকত জুড়ে বালিয়াডী জুড়ে লাখো মানুষের ভীড়। বাড়ছে সব বয়সি মানুষের উচ্ছাস। কিন্তু এত সচেতনতার প্রচার করেও বেশিরভাগ পর্যটক ভুলে যাচ্ছে স্বাস্থ্যবিধির কথা।
আরও পড়ুন: মহাকাশে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন চার সাধারণ পর্যটক
লাইফ গার্ড কর্মীরা বলছেন, পর্যটকদের বেশিরভাগই মাস্ক পরেন না, গাদাগাদি করে সমুদ্রে নামে। হাজার বলেও কথা শুনানো যায় না।
এদিকে ট্যুর অপারেটর সমিতির সভাপতি অভিযোগ করছে, ৫০ শতাংশ হোটেল রুম বুকিং দেয়ার শর্ত থাকলেও, সুযোগ বুঝে শতভাগ রুম বুকিং দিচ্ছে বেশিরভাগ পর্যটন ব্যবসায়ী।
যদিও মুখে কেউ এই অভিযোগ স্বীকার করছেন না হোটেল মালিকরা। তারা বলছেন এবারের ছুটিতে দুই লাখের মতো পর্যটক এসেছেন কক্সবাজারে। অথচ ১০ লাখের বেশি পর্যটক রাখার ক্ষমতা আছে তাদের।