চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে একই পরিবারের দুইজন নিহত হয়েছেন। রোববার সকালে মহানগরীর পাঁচলাইশ থানার ষোলশহর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন মো. সোহেল (৩৫) ও তার তার সাত মাস বয়সী শিশুসন্তান বিবি জান্নাত। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।
স্থানীয়রা জানান, সকালে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন সোহেলের পরিবারের সদস্যরা। ভারী বৃষ্টিতে হঠাৎ উপর থেকে দেয়ালসহ ভেঙে পড়ে পাহাড়ের একটি অংশ। এতে ঘুমের মধ্যেই চাপা পড়েন তারা।
আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ পাশা বলেন, স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা তাদেরকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মো. খালেক নামে রেলওয়ের এক কর্মচারী অবৈধভাবে পাহাড়গুলো কেটে ঘর তৈরি করায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। পাহাড় কাটার ফলে ভারী বৃষ্টিতে এ এলাকায় আরও পাহাড়ধসের আশঙ্কা করছে ফায়ার সার্ভিস।
এদিকে, পাহাড় কাটার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
ভারী বৃষ্টিতে ডুবে গেছে চট্টগ্রাম শহরের অধিকাংশ নিচু এলাকা। এতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েন রোববার চট্টগ্রাম বোর্ডে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও অফিস যাত্রীরা।
টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় নগরীর মুরাদপুর, ষোলশহর, চকবাজার বাকলিয়া এলাকায় তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম নগরীতে এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেয়া হয় এইচএসসি পরীক্ষা।
আরও পড়ুন
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নগরীতে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৮৩ দশমিক ৯ মিলিমিটার।