আরসার সন্ত্রাসীদের নাশকতার পরিকল্পনা ছিলো কিনা খতিয়ে দেখছে র‌্যাব

কক্সবাজার থেকে আরসার শীর্ষ সন্ত্রাসী রহিমুল্লাহ মুছাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৪৩ কেজি বিস্ফোরক। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, বিস্ফোরক দিয়ে রোহিঙ্গার ক্যাম্পের বাইরে নাশকতার পরিকল্পনা ছিলো কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরসা কমান্ডার রহিমুল্লাহ মুসা। তুমব্রু নো ম্যান্স ল্যান্ডে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গান কমান্ডার ছিলো সে। ওই ঘটনায় মারা যান এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

তার সহযোগী শামসুল আলম রোহিঙ্গা ক্যাম্প চারের আরসা কমান্ডার। টার্গেট কিলিং, অপহরণসহ নানা অপরাধে তার ভূমিকা ছিল সবার উপরে।

মঙ্গলবার রাতে টেকনাফের পালংখালী তেলখোলা বরইতলী থেকে মুসা ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মইন বলেন, বিভিন্ন কৌশলে এই দল পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে আসতেন।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, এদিন অভিযানে আটক স্থানীয় বাসিন্দা কৃষক শফিক ও টমটম চালক সিরাজ দীর্ঘদিন ধরে আরসাকে সহযোগিতা করে আসছিলো।

আরসা সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৪৩ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়েও শঙ্কার কথা জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

খন্দকার মইন, উদ্ধার রাসায়নিকগুলো দিয়ে বিস্ফোরকসহ যে কোনো ধরনের নাশকতা করা সম্ভব।

অভিযানে বিস্ফোরক ছাড়াও জব্দ হয়েছে বুলেটসহ একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি ওয়ান শুটার গান।