বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমার আর মাত্র তিনদিন বাকি। তাই রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে চলছে প্রবারণা পূর্ণিমার প্রস্তুতি। পুরোদমে ফানুস আর রথ তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।
আষাঢ়ি পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা পর্যন্ত তিন মাস বর্ষাবাসের পর আসে প্রবারণা পূর্ণিমা। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, প্রবারণা হলো আত্মশুদ্ধি ও অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণ করার অনুষ্ঠান। মারমা ভাষায় যার নাম মাহাঃ ওয়াগ্যোয়াই পোয়ে।
এই পূর্ণিমা তিথিতে নিজেদের ভুলভ্রান্তি স্বীকার করে পরিশুদ্ধ হন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। পাশাপাশি তিন মাস উপবাসের পর পূর্ণিমা তিথিতে মেতে উঠেন আনন্দ উৎসবে।
প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনকে ঘিরে কাপ্তাইয়ে বিভিন্ন বৌদ্ধ পল্লীগুলোতে তরুণ-তরুণীরা ফানুস বানানো, রথ ও পিঠা উৎসবের প্রস্তুতি শুরু করেছে পুরোদমে। একই সাথে প্রতিটি পাড়া ও মহল্লায় চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ।
প্রবারণার প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হবে মহামঙ্গলময় রং-বেরং এর ফানুস উত্তোলন। দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যায় রথে গৌতম বুদ্ধকে বসিয়ে, রাইখালী নারানগিরি থেকে কর্ণফুলী নদীর ডলুইছড়ি পর্যন্ত ঘুরবেন। পরে কর্ণফুলী নদীতে উৎসর্গ করে শেষ হবে প্রবারণা উৎসব।