ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেঘনা নদীতে বালুবাহী বলগেটের ধাক্কায় একটি ভ্রমণ তরী ডুবির ঘটনায় এক শিশুসহ আরও দুই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এনিয়ে ওই ঘটনায় তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এখনও নিখোঁজ আছে ছয় জন।
শনিবার দুপুর একটার দিকে নতুন করে যাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন- মৌসুমি (২৫) ও তার মেয়ে মাহমুদা (৭)। তারা ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশের কনস্টেবল সোহেল রানার স্ত্রী ও সন্তান।
এদিকে প্রথমে যে নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল তার পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ জানিয়েছেন ওই নারীর নাম সুবর্ণা (৪০)। তিনি ভৈরবের কমলপুরের বাসিন্দা।
শনিবার দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ ছিলেন আট জন। তারা হলেন- ভৈরবের আমলা পাড়ার ঝন্টু দের স্ত্রী রুপা দে (৩০), টুটন দের পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে মেঘলা দে আরাধ্যা (১১) ও ঝুটন দের ভগ্নিপতি কটিয়াদী উপজেলার মানিকখালী এলাকার বেলন দে (৩৫), ভৈরব হাইওয়ে থানার কনস্টেবল কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামের সোহেল রানা (৩০), স্ত্রী মৌসুমী (২৫), মেয়ে মাহমুদা (৭), ছেলে রাইসুল (৫) ও নরসিংদীর বেলাব উপজেলার দাড়িয়াকান্দি গ্রামের দারু মিয়ার মেয়ে আনিকা ইসলাম। তাদের মধ্যে আজ মৌসুমি ও মাহমুদার মরদেহ উদ্ধার হলো।
কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি মো. এনামুল হক জানিয়েছেন, পাঁচ জন ডুবুরি কাজ করছেন। নদী অনেক গভীর। নীচের দিকে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার ভৈরব রেলসেতুর তিন নম্বর পিলারের কাছে বালুবাহী বলগেটের ধাক্কায় একটি ভ্রমণ তরী ডুবে যায়। এ ঘটনায় ওই দিন এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়, নিখোঁজ থাকে বেশ কয়েকজন।