চট্টগ্রাম নগরের চাক্তাই খালে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। সাত-আট বছরের শিশুটিকে উদ্ধারের পর ফায়ার সার্ভিস অভিযান বন্ধ ঘোষণা করে।
এদিকে, মঙ্গলবার দুই শিশুর ভেসে যাওয়ার কথা বলা হলেও ফায়ার সার্ভিসের দাবি, খালে একটি শিশুই ভেসে গিয়েছিল।
বুধবার ভোর ছয়টায় চট্টগ্রাম নগরীর ফিসারীঘাটের রাজাখালী খালে একটি মৃতদেহ ভেসে উঠতে দেখেন এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। খাল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হন, এটিই মঙ্গলবার বিকেলে চাক্তাই খালে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া শিশুর।
শুরু থেকে দুই শিশুর কথা বলা হলেও এই ঘটনায় কারোরই কোন স্বজন পাওয়া যায়নি। যার কারণে এক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধারের পর অভিযান স্থগিত রাখে ফায়ার সার্ভিস।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছর অরক্ষিত নর্দমা ও খালে পড়ে চট্টগ্রাম নগরীতে অনেক মানুষ হতাহত হলেও কর্তৃপক্ষের টনক কোনভাবেই নড়ছে না।
পরিবেশবিদ ও কর্ণফুলী গবেষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী বলছেন, নগরীর বেশিরভাগ এলাকার নালা বা খালের পাশে নেই নিরাপত্তা বেষ্টনী। ফলে এগুলো এক একটি মৃত্যুকূপ।
গত রোববার নগরের আগ্রাবাদ এলাকার নাসির খালে পড়ে মারা যায় জসিম নামের সাত বছর বয়সী এক শিশু। গত ২৭ মে ঘূর্ণিঝড় রিমালের পর নগরের আছদগঞ্জের কলাবাগিচা খালে পড়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। আর গত তিন বছরে চট্টগ্রাম নগরের নালা ও খালে পড়ে মারা যান অন্তত নয়জন।