জরাজীর্ণ অবস্থায় চলছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উপজেলার ৬৯ নম্বর বাশুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। গেলো ২৭ বছরে দুই বার সামান্য মেরামত হলেও নির্মাণ হয়নি নতুন ভবন। সামান্য বৃষ্টি হলেই তিন কক্ষের টিনশেড এই বিদ্যালয়ের ভেতরে জমে হাঁটু পানি। বই-খাতা ভিজে দুর্ভোগে পড়ে শিশু শিক্ষার্থীরা।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দেয়া টাকায় ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ৬৯নং বাশুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তিন কক্ষের বিদ্যালয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই টিনের চালার ছিদ্র দিয়ে পানি পড়ে পানিতে সয়লাব হয়ে যায় ক্লাসরুম। বৃষ্টি একটু বেশি হলে জমে হাঁটু পানি।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানান, বৃষ্টির সময় বইখাতা ভিজে যায়। অনেক সময় ক্লাসে আসাই সম্ভব হয় না।
গত ২৭ বছরে দুইবার ছোটখাটো মেরামত ছাড়া বিদ্যালয়ের টিনশেড ভবন সংস্কারে বড় কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে জরাজীর্ণ ঘরে ধসের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করেন শিক্ষকরা।
এলাকাবাসী জানান, তারা দুই যুগেও এই বিদ্যালয়ের কোন উন্নয়ন দেখেননি।
বিদ্যালয়টির দুরবস্থার কথা জানেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। বললেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
গোপালগঞ্জের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র হালদার বলেন, উপজেলার শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে তারা কাজ করছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, টিনশেড ঘর সংস্কারের বদলে বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণ করতে হবে। তাহলেই দুর্ভোগ থেকেই রেহাই পাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।