নরসিংদীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, নেপথ্যে নির্বাচন দাবি

নরসিংদীতে দুর্বৃত্তের কোপে গুরুতর আহত এক যুবক মারা গেছেন। পরিবারের অভিযোগ, সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ নেওয়ায় তাকে প্রায়ই হুমকি দেওয়া হতো। শেষ পর্যন্ত প্রাণে মেরে ফেলা হলো।

শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এর আগে একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ঘোড়াদিয়া এলাকার এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম সুমন মিয়া ওরফে কালা সুমন (৩৬)। তিনি ওই এলাকার ছোবান মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান জানা যায়, দাসপাড়া এলাকার একটা খানকা শরীফ থেকে সঙ্গীতার দিকে ফিরছিল কালা সুমন ও রানা। পশ্চিম ঘোড়াদিয়ার মোল্লাবাড়ি মসজিদের সামনে আসলে চিনিশপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুয়েল মিয়া ও তার ভাই সোহেল, খায়রুল ও রাজ্জাকসহ ৫/৬ জন অস্ত্রধারী তাদের কোপায়। রানা আহত অবস্থায় দৌঁড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও সুমন পারেনি। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা চলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে ঢামেকে নেওয়া হয়।
 
নিহতের স্ত্রী নিপা বেগম বলেন, সংসদ নির্বাচনে স্বামী স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগলের নির্বাচন করায় প্রায়ই তােক কাটলি জুয়েল, তার ভাই সোহেল মেরে ফেলার হুমকি দিতে। শেষ পর্যন্ত মেরেই ফেললো। আমি এর বিচার চাই।
 
হামলার বিষয়ে জুয়েল মেম্বারের সঙ্গে কথা বলতে তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের অপেক্ষা আছে।

নরসিংদী সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ তানভীর আহমেদ জানান, মরদেহ এখনও ঢাকায় আছে। আমরা লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।