মানিকগঞ্জে পিকনিকের নৌকা ডুবি, আরও দুই মরদেহ উদ্ধার

মানিকগঞ্জে বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষে পিকনিকের নৌকা ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এনিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো তিন।

মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকের জেলার ঘিওর উপজেলার কুসুন্ডা এলাকার ধলেশ্বরী নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার ভাটিতে চর কুসুন্ডা এলাকায় ভাসমান অবস্থায় দুই জনের মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশে খবর দিলে উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- জেলার সাটুরিয়া উপজেলার ধানকুড়া ইউনিয়নের কামতা  এলাকার দানেজ আলির ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৫) ও একই ইউনিয়নের উত্তর কাউন্নারা গ্রামের মৃত সেলিমের ছেলে রাসেল (১৪)।

এর আগে এই নৌকাডুবির ঘটনায় সাটুরিয়া উপজেলার ধানকুরা ইউনিয়নের সাহেব আলির ছেলে লিমন (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়।

বুধবার দুপুরে ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ সুকুমার বিশ্বাস দুই মরদেহ উদ্ধারের খবর জানান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সুকুমার জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ধারনা করা হচ্ছে, দুই মরদেহ ট্রলারের কোনো এক জায়গায় আটকে ছিলো। গত রাতে ট্রলারটি শনাক্তের পর উঠানের জন্য ভাসানো হলে মরদেহ দুটি স্রোতের সঙ্গে ভেসে ওঠে। নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষ হওয়া বাল্কহেডটি জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান সুকুমার।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকালে যমুনা সেতু দেখতে নৌ ভ্রমণে যান মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার কামতা এলাকাসহ এর আশেপাশের গ্রামের ছোট-বড় ৬০ জন। বাড়ির ফেরার পথে রাত ১২টার দিকে নৌকাটি ঘিওরে কুসুন্ডা এলাকায় এলে বালু বোঝেই বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লাগে ডুবে যায়। এ সময় ট্রলার চালকসহ ৫৮ জন তীরে উঠলেও দুই জন নিখোঁজ থাকেন। পরে পাঁচ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক এক কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন।