আশুলিয়া থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর সহিংসতায় থানায় হামলার ঘটনায় এটি বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার বিকেলে থানার কাজে যোগ দেন ওসিসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।
গত রোববার আশুলিয়া থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। সে সময়ে থানার সামনে থাকা গাড়ি, ভবনের জিনিসপত্র পুড়িয়ে দেয়া হয়।
রোববার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, থানা ভবনের মূল ফটকসহ বিভিন্ন জায়গায় ময়লা জমে আছে। সেখানে পুলিশের পোশাক, ট্রাঙ্ক, গাড়ি, এসিসহ থানার ব্যবহৃত বিভিন্ন পোড়া জিনিস জমে আছে।
শনিবার বিকেলে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে থানায় প্রবেশ করেন পুলিশ সদস্যরা। তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। পরে ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনতার সামনে বক্তব্য দেন আশুলিয়া থানার ওসি এএফএম সায়েদ।
তিনি বলেন, আমরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তা দিয়েছি। আমরা ছাত্র ও জনগণের সহযোগিতায় আবারো থানার কার্যক্রম শুরু করেছি। আমরা ছাত্র ও জনগণের সহযোগিতা চাই। সবার সহায়তা পেলে আমরা শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবো।