এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে আবারও দেশসেরা সাফল্য অর্জন করেছে নরসিংদীর ‘নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড হোমস’। চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১২টায় অনলাইনের মাধ্যমে এসএসসির ফলাফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ছয় জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলো। প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কাদির মোল্লা ও তার স্ত্রী মিসেস নাছিমা মোল্লা। এর আগে ২০১৭, ২০২২ ও ২০২৫ সালেও প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী মুশফিকুর হাসান সিয়াম জানায়, প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও শিক্ষকদের বিশেষ পরিচর্যা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে পড়ালেখার ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। আরেক শিক্ষার্থী জানায়, সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা, নিয়মিত বিশেষ ক্লাস, গাইড টিচারের নিয়মিত হোম ভিজিট এবং ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল পরীক্ষার কারণেই এই সাফল্য এসেছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঠিক সমন্বয়ই আমাদের সাফল্যের মূলমন্ত্র। থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা স্যারের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনায় আমাদের এই সাফল্য অব্যাহত রয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, মফস্বল শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। আমাদের লক্ষ্য শুধু সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত বেকার তৈরি করা নয়, বরং সুশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানবসম্পদে পরিণত করা।ৎ
২০০৮ সালে নরসিংদী শহরের ভেলানগর এলাকায় থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা নিজ ও স্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। বর্তমানে ১৭৪ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে কঠোর শৃঙ্খলা ও নিবিড় পরিচর্যায় বিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় পাঁচ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।