ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ, আনসার সদস্য আহত

যশোর শহরের শংকরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

রোববার সকাল ৮টার কিছুক্ষণ আগে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় ভোট গ্রহণে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং অফিসার।

আহত আনসার সদস্যের নাম এপিসি মারুফ হোসেন।

স্থানীয়রা জানায়, রোববার সকালে ভোট গ্রহণ শুরুর আগে শংকরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলার রেলিং এর ওপর একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরিত ককটেলের কিছু অংশ ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা মারুফ হোসেনের ডান পায়ে লেগে তিনি আহত হন। আহত ওই আনসার সদস্য কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্য সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনার পরেই উৎসবমুখর পরিবেশে যশোরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের ৮২৫টি কেন্দ্রে ভোট শুরু হয়েছে। যা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

ব্যালটের মাধ্যমে জেলায় মোট ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১১ লাখ ৭৬ হাজার ১০৫ জন, নারী ১১ লাখ ৬২ হাজার ৯৩৫ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের রয়েছেন ১৫ জন।

যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে এবার লড়ছেন মোট ৩২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, বিএনএফ, তৃণমূল বিএনপিসহ মোট ১০টি দলের ২৫ জন প্রার্থী।

এছাড়া স্বতন্ত্র লড়ছেন সাতজন প্রার্থী। ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও গত দুই দিনে ৫ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। বর্তমানে ২৭ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে ছয়জনকে আইন প্রণেতা হিসেবে বেছে নেয়া হবে।