প্রকাণ্ড সিঙাড়া, একটি খেতে একদল মানুষ

চুয়াডাঙ্গায় জেলা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে দামুড়হুদা উপজেলার চারুলিয়া গ্রাম। গ্রামটি এখন সিঙাড়া গ্রাম নামেও পরিচিত। কারণ এ গ্রামের কারিগর জসিম ও শাহিনের বিরাট সিঙাড়া এখন সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। দূর-দূরান্ত থেকে শত শত মানুষ ভিড় করছে তাদের দোকানে। আর একটি সিঙাড়া খেতে প্রয়োজন হচ্ছে একদল মানুষের, যা দেখা যায় একাত্তরের ক্যামেরাতেও।

সাধারণত ময়দা, আলু, বাদম দিয়ে তৈরি সিঙাড়ার গড়ন খুব বড় হয় না। তবে চারুলিয়া গ্রামের এই সিঙাড়ায় এ ছাড়ও থাকছে নানা উপকরণ। গ্রামটির তেলেভাজা বিক্রেতা জসিম উদ্দিন ও শাহিনের ছোট ছোট সিঙাড়ার পাশাপাশি বানাচ্ছেন বড় সিঙাড়াও। তাদের দাবি, এগুলোর কোনটির ওজন ৫০০ গ্রাম থেকে দুই কেজি পর্যন্ত। 

কারিগর জসিম জানান, সখের বসে এক কেজি ওজনের সিঙাড়া বানানোর পর এলাকায় তা ব্যাপকভাবে প্রচার পায়। এতে থেকে এখন মাসে আয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

তিনি জানান, এসব বড় সিঙাড়ায় ব্যবহার করা হচ্ছে আলু, ডিম, মাংস, বাদাম, কিসমিস ও চেরি ফল। সঙ্গে থাকছে প্রায় ৪০ পদে মসলা। 

তাদের ৫০০ গ্রাম ওজনের সিঙাড়ার দাম ১৫০ টাকা, এক কেজির ৩০০ এবং দুই  কেজি ওজনের সিঙাড়ার দাম ৬০০ টাকা।  

জসিমের দেখে শাহিনও শুরু করেন দুই কেজি ওজনের সিঙাড়া বানানো। তার বিক্রি ভালো এবং মাসে আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। 

আর এই মুখোরোচক সিঙাড়া খেতে ভোজন রসিকদের আগেভাগে টোকেন নিয়ে সিরিয়ালও দিতে হচ্ছে। 

প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকার সিঙাড়া বিক্রি হয়। আর ছুটির দিনগুলো বেশি ক্রেতা আসে, এদিন বিক্রিও বেশ, জানান দুই কারিগর।