খুলনায় কৃষি ব্যাংকের শাখায় ডাকাতির কোন কুল কিনারা হয়নি। মামলা হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। তবে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে তিন নিরাপত্তা কর্মীর। কৃষি ব্যাংকের খুলনা অঞ্চলের একজন কর্মকর্তা মনে করেন আটক নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে আবুল কাশেমের এই ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি ব্যাংকের সার্বিক নিরাপত্তা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
আবুল কাশেম, আফজাল হোসেন ও তরিকুল ইসলাম। এই তিনজনের ওপর দেয়া ছিল কৃষি ব্যাংক রূপসা শাখার নিরাপত্তার দায়িত্ব। শুক্রবার ফজর নামাজ শেষে আফজালের কাছে চাবি স্থানান্তরের কথা থাকলেও আবুল কাশেম তা করেননি। পরে আর কেউ দায়িত্বও নেননি।
কৃষি ব্যাংকের খুলনা অঞ্চলের সহকারী ব্যবস্থাপক রেজাউল ইসলাম বলেন, শনিবার রাতে ব্যাংকে আসে কাশেম। তিনিই টাকা লুটের ঘটনাটি ব্যবস্থাপককে ফোনে জানান। কিন্তু ওই সময় তার ব্যাংকেই আসার কথা নয়।
তিনি আরও জানান, প্রায় এক যুগ ধরে ওই ভবনে কাজ করছে কৃষি ব্যাংকের রূপসা শাখা। ব্যাংকের ভেতরে চারটি সিসিটিভির ক্যামেরা থাকলেও ব্যাংকের বাইরে কোন ক্যামেরা ছিল না। তাই ব্যাংক বন্ধ থাকলে ব্যাংকের ভেতরে কি হচ্ছে তা দূর থেকে মনিটরিং করার কোন সুযোগই রাখা হয়নি।
এদিকে দুই দিন পার হলেও ব্যাংক থেকে টাকা লুটের ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখায়নি। খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হয়নি লুটের টাকা। প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, ধারালো গ্র্যান্ডিং মেশিন দিয়ে লোহার ভল্ট ভাঙা হয়েছিলো।
ঘটনা একদিন পর শনিবার রাতে রূপসা থানায় টাকা লুটের ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেন শাখা ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম। এরিমধ্যে ব্যাংকের তিন সদস্যের বিভাগীয় ভিজিলেন্স দল তদন্ত শুরু করেছে।