চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের আলোচিত স্কুলছাত্রী মরিয়ম খাতুনকে (১০) ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একমাত্র আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে (৪০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) চুয়াডাঙ্গার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত আবুল হোসেনের বাড়ি পার্শ্ববর্তী গয়েশপুর গ্রামে।
আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর গোয়ালপাড়া গ্রামের ১০ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী মরিয়ম খাতুন আরও কয়েকজন শিশুর সঙ্গে বাড়ির পাশের মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে আসামি আবুল হোসেন মরিয়মকে ফুসলিয়ে একটি ভুট্টাখেতের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।
ঘটনার তদন্ত শেষে পুলিশ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে আসামি আবুল হোসেন নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) এম এম শাহজাহান মুকুল জানান, দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় মোট ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। ঘোষিত এই রায়ে বাদীপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ পূর্ণ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।