শেরপুরে পাত কুয়া (সিমেন্টের রিংয়ের তৈরি কুয়া) নির্মাণ করতে গিয়ে দম বন্ধ হয়ে দুই ভায়রার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রোববার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের শালচুড়া (ভুইয়াবাড়ী) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই এলাকার নীল মোহন কোচের ছেলে নারায়ণ কোচ (৪৫) ও তার ভায়রা রাংটিয়ার নীপুরাম কোচের ছেলে নিরঞ্জন কোচ।
তাদের পরিবার জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে নারায়ণ কোচ বাড়িতে পানির জন্য মাটির একটি গভীর কুয়া খনন করছিলেন। আজ ছিলো খননের শেষ দিন। কুয়া খনন শেষে নিচে কিছু ময়লা থাকায় তা পরিষ্কারে নারায়ণ বাঁশ দিয়ে নিচে নেমে জ্ঞান হারান।।তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে একই কায়দায় নিরঞ্জন কোচও জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কুয়া থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, কুয়ায় সিমেন্টের তৈরি মোট ২৪টি রিং নামানো হয়। যার প্রতিটি এক ফিট করে। অর্থাৎ কুয়াটির গভীরতা ছিলো প্রায় ২৫ ফিট। ইতিমধ্যে কুয়ায় পানি উঠতে শুরু করেছে।
ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ আল আমিন বলেন, কুয়ার গভীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকায় তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।