ডিএনএ টেস্টে ধরা পড়লো নারীর মিথ্যা ধর্ষণ মামলা, কারাদণ্ড

নেত্রকোণার বারহাট্টায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৩) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোণা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. এমদাদুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে একই গ্রামের লিপি আক্তার একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল যে, ধর্ষণের ফলে তিনি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন প্রায় দুই মাস কারাগারে কাটিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে লিপি আক্তারের সন্তান জন্ম নেওয়ার পর আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। ডিএনএ প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয় যে, শিশুটির বাবা কামাল উদ্দিন নন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে ওই মামলা থেকে খালাস পান কামাল উদ্দিন।

এরপর মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় লিপি আক্তারকে আসামি করে ২০২০ সালে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। সেই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে মঙ্গলবার আদালত এই রায় দেয়।