নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম ব্রহানী সুলতান মামুদের (গামা) নির্বাচনী অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে তিন কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন নওগাঁ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে মান্দা উপজেলার মৈনম বাজার এলাকায় হামলার এই ঘটনা ঘটে।
ব্রহানী সুলতান মামুদের অনুসারী নেতা-কর্মীরা জানান, উপজেলার মৈনম বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মালিকানাধীন মার্কেটের একটি ঘরে তার প্রধান নির্বাচনী অফিস করা হয়েছে। আজ নির্বাচনী প্রচার কাজ শুরুর আগে ওই অফিসেনেতা-কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। দুপুরের দিকে যুবলীগ নেতা আল-আমিন, আশিকুর রহমান ও জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাহিদ মোর্শেদের অনুসারী ৫০-৬০ ব্যক্তি হামলা চালায়। এ সময় তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতান মামুদের নির্বাচনী অফিস ও তার মালিকানাধীন মার্কেটের একটি ওষুধের দোকানে ভাঙচুর করে।
সুলতান মামুদের অভিযোগ, নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাহিদ মোর্শেদ কর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এর আগেও আমার নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়। এসব ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাহিদ মোর্শেদের অনুসারী ও মান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন মণ্ডল বলেন, নৌকার সমর্থকেরা আচরণবিধি মেনে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার চালাচ্ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক কাজী তিনি বলেন, খবর পেয়ে দুপুরে মৈনম বাজার এলাকায় গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ কেউ করেনি। পেলে তদন্ত করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নওগাঁ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাহিদ মোর্শেদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রহানী সুলতান মামুদ ছাড়াও বর্তমান সংসদ সদস্য ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই তিনজন ছাড়াও জাতীয় পার্টি ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী রয়েছে এখানে। পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রহানী সুলতান মামুদকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাহিদ মোর্শেদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা।