রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বাহারাম নামের এক কয়েদির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েদি ও কারারক্ষীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার সকালের ওই ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সতর্ক অবস্থানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এসময় ফাঁকা গুলি ছোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এঘটনায় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন ও দুই কারারক্ষীকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
রংপুর জেলা প্রশাসক মোবাশ্বের হাসান জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল আটটার দিকে আমড়া পাড়াকে কেন্দ্র করে রফিকুল ও বাহারাম নামে দুই কয়েদির মধ্যে মারামারির ঘটনায় বাহারামের মৃত্যু হয়। পরে বেলা ১১টার পর হত্যার বিচার দাবিতে কয়েদিরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে কারারক্ষীদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।
পরে ৬৬ পদাধিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা কারাগারের ভেতরে অবস্থান করেন। সাথে পুলিশ সদস্যরাও আসেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
বেলা ১২টার দিকে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা কারাগারে ভিতরে ও বাহিরে সতর্ক অবস্থানে আছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
নিহত বাহারাম রংপুরের পীরগঞ্জের বাহাদুর মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় মোতালেব ও শাহজাহান নামে দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।