আবদুল মাবুদের রুটিন পদায়ন, রংপুরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্ক নেই: আরএমপি

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন একটি পূর্বনির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। মাছুয়াপাড়ায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনার সঙ্গে এই রুটিন পদায়নের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আরএমপি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আরএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে পুলিশ কমিশনারের পদায়নকে মাছুয়াপাড়ার চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনার শাস্তি বা প্রত্যাহারের অংশ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও তথ্যগতভাবে ভুল।

বিজ্ঞপ্তির সূত্র ধরে আরএমপি জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রজ্ঞাপন (স্মারক নম্বর: ৪৪.০০.০০০০.০৯৪.১৯.০০৮৫.২৫-২৯৩, তারিখ: ১২ আগস্ট ২০২৬) অনুযায়ী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। আর মাছুয়াপাড়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে ২২ আগস্ট। ফলে ওই ঘটনা ঘটার ১০ দিন আগেই তার পদায়নের সরকারি সিদ্ধান্ত ও প্রজ্ঞাপন সম্পন্ন হয়েছিলো।

অতএব, ২২ আগস্ট মাছুয়াপাড়ায় সংঘটিত একই পরিবারের চারজনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বা ওই ঘটনার কারণে তার পদায়ন হয়েছে, এমন তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই।

আরএমপি উল্লেখ করে, পুলিশ কমিশনারের সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও পেশাদারি সিদ্ধান্তের কারণেই মাছুয়াপাড়ার ওই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক রহস্য ঘটনার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে উন্মোচিত হয়। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার এবং আদালতে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের পেছনেও পুলিশ কমিশনারের নিবিড় তদারকি ভূমিকা রেখেছে।

প্রশাসনিক এই নিয়মিত পদায়নের সঙ্গে স্পর্শকাতর কোনো অপরাধমূলক ঘটনাকে না জুড়ে সঠিক তথ্য প্রচারের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।