নতুন পাঠ্যসূচি নিয়ে শিক্ষকদের ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি

‘শিক্ষক হবেন সহায়ক আর শিক্ষার্থী নিজে করে শিখবে’- এমনটাই হবে আসছে বছরের নতুন শিক্ষাক্রম। যা প্রথম, দ্বিতীয় এবং ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে ২০২৩ সাল থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে। সেভাবেই তৈরি হচ্ছে বই।

তবে নতুন বছরের বই পাওয়া নিয়ে যেমন সঙ্কট আছে, তেমনি নতুন কারিকুলামের মূল্যায়ন চূড়ান্ত করা নিয়ে শিক্ষকদের ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। 

শিক্ষকরা বলছেন, নতুন কারিকুলামের মূল্যায়নের নতুন প্রক্রিয়াটি অন্তত ছয়মাস আগে থেকেই অবহিত করা উচিত ছিলো। 

তবে পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বলছে, ডিসেম্বরে ৩০ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণে আওতায় আনা হবে। 

যদিও কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদের মতে এতো অল্প সময়ে এটি বাস্তবায়ন করাটা কঠিন হবে। 

জানা গেছে, মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পারদর্শীতার মূল্যায়ন হবে প্রারম্ভিক অন্তর্বর্তীকালীন আর সর্বোচ্চ এই তিন ধাপে। প্রাথমিকেরও আছে তিনটি ধাপ। সেগুলো হলে- যোগ্যতা অর্জিত হয়নি, আংশিক অর্জিত আর যোগ্যতা পুরোপুরি অর্জিত।


কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাফিজুর রহমান বলেন, যারা শিক্ষার্থীদের নতুন ধরনের এই মূল্যায়ন করবেন সেই শিক্ষকরা কতটুকু প্রস্তুত? যেখানে প্রাথমিকে চলতি বছর নতুন পাঠ্যবইয়ের কোনো পাইলটিংই হয়নি। সেই সঙ্গে আসছে বছর থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত থাকবে না পরীক্ষা। 

আরও পড়ুন: শনি ও রোববার বিমানবন্দর সড়কের বিকল্প ব্যবহারের পরামর্শ

এনসিটিবি’র কারিকুলাম বিভাগের সদস্য অধ্যাপক মশিউজ্জামান বলেন, নতুন কারিকুলামের মূল্যায়ন নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। তবে ডিসেম্বর জুড়ে ৩০ হাজার শিক্ষক আসবেন প্রশিক্ষণের আওতায় আসছেন। 

এনসিটিবি’র সদস্য রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ২০২৩ সালে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি দিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন পাঠ্যক্রম। আর ২০২৫ সালের মাধ্যমিক ও ২৭ সালের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়েও এটি বাস্তবায়ন হবে।


একাত্তর/এসি