প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সেরা ছয় সিনেমা

ষাট পেরিয়েছেন টালিগঞ্জের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রোববার ছিলো তার জন্মদিন। এই অভিনেতা তার ক্যারিয়ারে অভিনয় করেছেন সাড়ে তিনশ’র বেশি সিনেমায়। প্রতিবেদনে থাকছে সেরা ছয় সিনেমার তথ্য।

চোখের বালি: ঋতুপর্ণা ঘোষের পরিচালনায় ‘চোখের বালি’ ছবিতে ‘মহেন্দ্র’-র ভূমিকায় প্রসেনজিতের নজরকাড়া অভিনয় দেখে দর্শকের পাশাপাশি মুগ্ধ হয়েছিলো ছবি সমালোচকের দলও। ‘মহেন্দ্র’-র মত একজন গুরুগম্ভীর, জটিল মানসিকতার ও কামুক চরিত্রের ব্যক্তিত্বে প্রসেনজিতের অভিনয় দেখে চমকে গিয়েছিলো দর্শককুল।

অটোগ্রাফ: ২০১০ সালে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় মুক্তি পেয়েছিল ‘অটোগ্রাফ’। সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ ছবির প্রতি ট্রিবিউট জানিয়ে তৈরি এই ছবিতে এক সম্পূর্ণ নতুন প্রসেনজিতকে আবিষ্কার করেছিলো বাঙালি দর্শক। অভিনয় তো বটেই, ছবির গান থেকে সংলাপ, চিরদিনের জন্য পাকা জায়গা করে নিয়েছে দর্শকদের মনে।

দোসর: দোসর শিরোনামের সিনেমায় প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণার জুটি বাঁধেন। সাদা-কালো এই সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন প্রসেনজিৎ।

মনের মানুষ: লালন ফকিরের জীবনের ওপর তৈরি হয় মনের মানুষ সিনেমা। এই সিনেমায় লালনের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ। তার বিপরীতে ছিলেন পাওলি দাম।

বাইশে শ্রাবণ: বাইশে শ্রাবণ সিনেমায় এক বহিষ্কৃত পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় তাক লাগিয়ে দেন প্রসেনজিৎ। এই রোমাঞ্চকর সিনেমার পরিচালনা করেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। সিনেমায় প্রসেনজিতের সহকারীর ভূমিকায় অভিনয় করেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এই সিনেমার জন্য সমালোচকরাও ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রসেনজিতের।

গুমনামী: ভারতীয় রাজনীতির অন্যতম বিতর্কিত বিষয় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্য। বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছিল? নাকি তিনি ফিরে এসেছিলেন দেশে? সেই রহস্য নিয়ে বানানো হয় সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘গুমনামী’। পর্দায় নেতাজীর চরিত্রে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।