শুক্রবার দেশের ২০৬ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে আমদানিকৃত ভারতীয় ছবি পাঠান।
ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি পাওয়ার মধ্য দিয়ে আড়াই দশকের ভারতীয় ছবি আমদানির দাবি পূরণ হচ্ছে হলমালিকদের।
এদিকে মুদ্রার অপরপীঠে আছেন ঢাকাই ছবির পরিচালকেরা। তাদের আশংকা বেশিসংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি পাওয়ায় দেশীয় ছবির প্রতি হলমালিকদের অনীহা তৈরি হবে বলে আশঙ্কা তাদের।
সাপটা চুক্তির আওতায় দেশীয় পাঙ্কু জামাই ছবির বিনিময়ে আমদানি করা হয়েছে এই ছবিটি।
২০১৯ সালে ঐ চুক্তির আওতায় কলকাতায় মুক্তি পেয়ে গেছে পাঙ্কু জামাই। এবারে ছবির বীপরিতেই দেশে মুক্তি পাচ্ছে পাঠান।
তবে পাঠান মুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন গেলো ঈদে মুক্তি পাওয়া ছবির পরিচালকেরা। তাদের দাবী ভারতীয় ছবি দেশের প্রেক্ষাগৃহে চালানোর কারনে দেশীয় ছবির মুক্তিতে অনীহা প্রকাশ করবে হলমালিকেরা।
এমনই একজন পরিচালক অরণ্য আনোয়ার। তার পরিচালিত মা ছবিটি ১৯ মে মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পাবার কথা। সপ্তাহখানেক আগেও তিনি মাল্টিপ্লেক্সে কোনো হল চুড়ান্ত করতে পারেননি। এই পরিচালকের আশঙ্কা, পাঠান ছবির সাথে অসম প্রতিযোগিতার খেসারত দিতে হচ্ছে তাকে।
ভারতীয় ছবি আমদানির কারণে দেশীয় ছবি মুক্তিতে বাধা বা বিলম্ব হলে আমদানি নীতিমালা পুর্নবিবেচনার আশ্বাস দিলেন নেতারা।
এদিকে হলমালিকদের আাড়াই দশকের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশি তারা। হল মালিকেরা বলছেন, হল বাঁচলে দেশীয় সিনেমা বাঁচবে। তবে ভারতীয় ছবির দাপটে দেশীয় ছবি হল না পেলে দেশীয় সিনেমা কেমন করে বাঁচবে তার উত্তর হয়তো জানা যাবে সপ্তাহ ঘুরলেই।
একাত্তর/এআর