থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন তানজিয়া জামান মিথিলা। এই প্রতিযোগিতার মূল পর্ব যতটা গুরুত্বপূর্ণ, অনলাইন ভোটিংও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, এই ভোটের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে কোন দেশ কতোটা শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করবে।
পিপলস চয়েস বিভাগে আজ বুধবারই (১৯ নভেম্বর) শেষ হচ্ছে ভোটিং। বাংলাদেশের মানুষ চাইলে তাকে পিপলস চয়েসে বিজয়ী করতে পারেন।
এ বিষয়ে নিজের ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে মিথিলা বলেন, পিপলস চয়েসে বাংলাদেশের হয়ে এক নম্বরে ছিলাম, এখন দুই নম্বরে বাংলাদেশ। বুধবার (আজ) শেষ দিন। আশা করি, আবার বাংলাদেশ এক নম্বরে যাবে। মানুষের ভালোবাসা থাকলে সব কিছুই সম্ভব।
২১ নভেম্বর ঘোষণা হবে চূড়ান্ত ফলাফল। মিথিলা জানালেন, এটা একটা প্রতিযোগিতা। ফলাফল তো একটা আসবেই। ফলাফল যা–ই হোক, আমি খুবই খুশি। কারণ, দেশের মানুষ আমাকে ভালোবাসছে—এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। এই পাওয়া নিয়েই আগামী পথচলা শুরু করবো।
ভোট দেয়ার উপায়
‘মিস ইউনিভার্স’ অ্যাপে প্রবেশ করে বাংলাদেশ সিলেক্ট করুন এবং ‘গেট ভোট’ অপশন বেছে নিন। তারপর ‘পিপলস চয়েস’ সেকশনে গিয়ে তানজিয়া জামান মিথিলাকে নির্বাচন করুন।
প্রতিটি বিজ্ঞাপন পুরোপুরি দেখে আরো ভোট দেওয়া যাবে। পিপলস চয়েসে ১ নম্বর পজিশনে থাকলে মিথিলা সরাসরি টপ ৩০-এ উঠে যাবেন।
তানজিয়া জামান মিথিলা র্যাম্প মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে, ২০১৯ সালে ভারতীয় পরিচালক হায়দার খানের ‘রোহিঙ্গা’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন।
একই বছর ‘ফেস অব বাংলাদেশ’ ও ‘ফেস অব এশিয়া’ খেতাব জিতে তিনি আলোচনায় আসেন।
২০২০ সালে প্রবল প্রতিযোগিতা ও সমালোচনার মধ্যেও তিনি ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ হন, তবে কোভিড পরিস্থিতি ও সময়ের অভাবে সে বছর মূল প্রতিযোগিতায় যেতে পারেননি।
২০২৫ সালে আবারো ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’-এর মুকুট জিতে ২ নভেম্বর থাইল্যান্ডের ব্যাংককের পথে ঢাকা ছেড়ে যান মিথিলা। সেদিন পরিবার ও কাছের বন্ধুরা উৎসাহ দিয়ে তাকে বিদায় জানান।
মিথিলা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এতোটা সাপোর্ট করবে, এটা অবিশ্বাস্য লাগছে। মনে হচ্ছে আমরা সত্যিই ভালো কিছু করে দেখাবো।