দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার এখন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পশ্চিম ইউরোপের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন শঙ্কা।
উন্নত দেশগুলোর আশি ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হলেও গড়ে উঠছে না হার্ড ইমিউনিটি। অনেক দেশে শুরু হয়েছে ভাইরাসটির চতুর্থ ঢেউ।
তার ওপর শীতের সময় বাড়ে জ্বর-কাশির প্রবণতা। তাই সতর্ক থাকার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। টিকার পাশাপাশি করোনার নতুন ওষুধের ওপরও কিছুটা ভরসা করছেন তারা।
দীর্ঘ ২০ মাস পর গেলো ২১ নভেম্বর করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা নেমেছিলো শূণ্যের কোঠায়। কিন্তু সেটা কেবল একদিনই। পরদিন আবারও সাত জনের প্রাণ কেড়েছে করোনা।
শুধু তাই নয়, গেল তিন দিনে দৈনিক শনাক্ত নতুন রোগী এবং শনাক্তের হারে রয়েছে ঊর্ধমুখী প্রবণতা। সে কারণেই বিশেষজ্ঞরা বার বার বলছেন মাস্ক ব্যবহারের কথা।
শত মানুষের মৃত্যুর দিনগুলোর কথা ভেবে আত্নতৃপ্তিতে ভোগার সময় এখনও হয়নি বলে মনে করেন তারা। বিশেষ করে শীতের সময় ফ্লু-জনিত জ্বর-কাশির শঙ্কা তো আছেই।
স্বস্তি আসবেই বা কেমন করে। পশ্চিম ইউরোপের বেশিরভাগ দেশগুলো যেখানে তাদের ৮০ ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা গেছে, সে দেশগুলোতেও এখন করোনা চর্তুথ ঢেউ হানা দিচ্ছে।
আরও পড়ুন: একটি পরিবারকে প্রায় গৃহবন্দী করে রাখার অভিযোগ
অর্থাৎ করোনার সংক্রমণ ক্ষমতা এতো বেশি যে ভ্যাকসিনের সুরক্ষা থাকলেও হার্ড ইমিউনিটি গড়ে উঠছে না। এমনকি পিছিয়ে নেই আমেরিকাও। সেখানেও বাড়ছে সংক্রমণ।
মৃত্যু-আহাজারি, ভয়-আতঙ্কের মধ্যেই ভাইরাসটিকে মোকাবেলায় প্রায় দুই বছরের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের। একই সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে টিকা কর্মসূচি।
টিকার পাশাপাশি প্রতিকারের জন্য এখন দেশে উৎপাদন হচ্ছে মলনুপিরাভির ওষুধ। তাই আশা, আগামী দিনগুলোতে শক্ত হাতেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে বাংলাদেশ।
তবে সবার আগে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করার অবারিত তাগাদা দিয়েছেন দেশের খ্যাতনামা চিকিৎসকরা।
একাত্তর/আরএইচ