পর্যটনের স্বর্গরাজ্য মালদ্বীপ থেকে যা শেখার আছে

শতভাগ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ হয়েও, গেলো বছর দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ পৃথিবীর সেরা পর্যটক গন্তব্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। 

সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে সরকারি নীতি সহায়তায় বেসরকারি উদ্যোগে পর্যটকদের জন্য স্বর্গরাজ্য তৈরি করা হয়েছে। 

ইউরোপ ও আমেরিকার ভ্রমণ পিপাসীদের অন্যতমে আকর্ষণে পরিণত হওয়া মালদ্বীপের মতো বাংলাদেশেও এমন কিছু করার সম্ভাবনা থাকলেও, তা রয়ে গেছে শুধু কাগুজে বক্তব্যে। 


মালদ্বীপের রাজধানী মালের রাস্তায় স্থানীয় নারী মানেই বোরকা আর হিজাব পড়া। এটি দেখে যারা কট্টর রক্ষণশীল মালদ্বীপের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য তথ্য ২০১৯ ও ২০ সালে পৃথিবীর সেরা পর্যটক গন্তব্যের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মালদ্বীপ। 

 

দেশটিতে সরকার পর্যটনের জন্য শুধু নীতি সহায়তা দেয়। আর, বেসরকারি উদ্যোক্তরা তাদের মতো করে পর্যটন ব্যবসা করছেন। এর জন্য যতো প্রকার সুযোগ সুবিধা তৈরি করা যায় তার সব কিছুই করেছ বেসরকারি খাত। 

স্থানীয়য় জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় মত ও পথ যাই থাকুক না কেন, তারা পর্যটনকে শতভাগ নিরাপদ, নির্বিঘ্ন আর ঝামেলাহীন রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। 

দেশটির মোট আয়ের ৭০ ভাগই আসে পর্যটন খাত থেকে। পর্যটনের মূল আকর্ষণ হল রিসোর্ট আইল্যান্ড। আর এই পর্যটনই দুই দশকে দেশটির অবকাঠামোকে ইউরোপ মানে নিয়ে গেছে।  


তাই, মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসানও মনে করেন, পর্যটনে মালদ্বীপের কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার রয়েছে।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে বেড়েছে বাঘের আনাগোনা

আর, পর্যটনখাত নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের মত, বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের প্রধানতম বাধা এই খাতটিকে বুঝতে না পারা। 


মাত্র পাঁচ লাখ জনগোষ্ঠীর এই দেশটি থেকে পর্যটনের শিক্ষা নিতে পারলে বাংলাদেশেও এই খাত অনেক দুর আগাবে বলে মনে করেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। 

ছোট ছোট প্রায় ১২০০ দ্বীপ নিয়ে স্থলভাগে ২৯৮ বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত মালদ্বীপ। সাগরের জলভাগসহ এই দ্বীপ রাষ্ট্রটির মোট আয়তন ৯০ হাজার বর্গ কিলোমিটার।