মধ্য-এশিয়ার বৃহত্তম ও তেলসমৃদ্ধ দেশ কাজাখস্তানে বিক্ষোভ দমনে সাহায্য করার পর রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন কালেক্টিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশন (সিএসটিও) শান্তিরক্ষী বাহিনী বৃহস্পতিবার থেকে দেশটি ত্যাগ করতে শুরু করবে। মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) কাজাখ প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ একথা ঘোষণা করেছেন।
কাজাখস্তানের পার্লামেন্টকে তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই প্রত্যাহারের কাজ সম্পন্ন হবে। গত সপ্তাহে কাজাখস্তানের বিক্ষোভকে তিনি ‘বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা’ বলেও বর্ণনা করেন।
তবে বিবিসির একজন সংবাদদাতা বলছেন, এই বিক্ষোভ সম্ভবত শাসকদলের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বের ফসল। কাজাখ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই বিক্ষোভে প্রায় ১০ হাজার লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, তেল-সমৃদ্ধ এই দেশটিতে প্রশাসনের একেবারে শীর্ষে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। এই দ্বন্দ্বে সাবেক প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নজরবায়েভের নিয়োগ করা ব্যক্তিরাই প্রাধান্য বজায় রেখেছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট নজরবায়েভ ২০১৯ সালে পদত্যাগ করলেও সংবিধান মোতাবেক তিনি এখনও কাজাখস্তানের ‘জাতির নেতা।’
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার সময় বর্তমান প্রেসিডেন্ট তোকায়েভ তার পূর্বসূরী নজরবায়েভর এমন সমালোচনা করেছেন যা অনেককেই অবাক করেছে। যদিও নিজের উত্তরসূরি হিসেবে নজরবায়েভ এক সময় তোকায়েভকেই মনোনীত করেছিলেন।
একাত্তর/এসএ