ইউক্রেনে গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ করছেন চেচেন মুসলিম সেনারা। যুদ্ধে অংশ নেয়ার ব্যাখ্যায় এমন দাবি করেছেন চেচেন প্রেসিডেন্ট।
ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে অংশ নিয়েছে চেচেন সামরিক বাহিনীর অন্তত ১০ হাজার সামরিক সদস্য। যুদ্ধে অংশ নেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে চেচেন প্রেসিডেন্ট রমজান কাদরিভ ইউক্রেনের জাতীয়তাবাদী, নাৎসীবাদীদের শয়তান বলে আখ্যা দেন।
তিনি বলেন, জনগণকে রক্ষার শপথ নিয়ে ডনবাস, ওডেসায় গণহত্যা চালিয়েছে তারা। গণহত্যাকারীরা এখন সামরিক বাহিনীর আড়ালে শিয়ালের মতো লুকিয়ে আছে। তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা চেচেন বাহিনীর কাজ।
তিনি জানান, শিগগিরই সংকট সমাধান হবে। রুশ, ইউক্রেনীয়রা আগের মতোই বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে শান্তিতে বসবাস করবে। এ সময় তিনি বলেন, তারা জিহাদে আছেন, তাদের কাজে যেনো বাধা দেয়া না হয়, তারা থামবেন না।
এদিকে, সংকট নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তিনি বলেন, ইউক্রেনকে নিরপেক্ষ, পরমাণু অস্ত্রমুক্ত, অসামরিক করতে চান তিনি। পাশাপাশি ক্রিমিয়ায় রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব ঘোষণা, লুহানস্ক আর দোনেস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিতে হবে কিয়েভকে।
জার্মান চ্যান্সেলর সাধারণ মানুষের হতাহতের বিষয়ে উদ্বেগ জানালে পুতিন বলেন, গত আট বছর ডনবাসে গণহত্যা চালিয়েছে ইউক্রেন। তখন পশ্চিমারা কিয়েভ সরকারের যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে চোখ বন্ধ করে ছিলো। ডনবাসের গণহত্যায় অন্তত ১৪ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।
পুতিন যুদ্ধ না বন্ধ করলেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরো কঠিন নিষেধাজ্ঞা আরোপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রস্তুত বলে জানিয়েছন কমিশন প্রধান উরসুলা ভনডার লিয়েন।
অন্যদিকে, ইউক্রেনে হামলার জন্য রাশিয়াকে চড়ামূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিনকেন।
এদিকে, ইউক্রেনের আকাশকে নো ফ্লাই জোন ঘোষণার দাবি প্রত্যাখ্যান করায় ন্যাটো জোটকে ভীতু বলে কটাক্ষ করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রি কুবেলা। বলেন, ইউক্রেনীয়রা যতোটা শক্তিশালী বলে ভাবতো মূলত ন্যাটো ততোটা শক্তিশালী নয়।
একাত্তর/ এনএ