চির বৈরী রাষ্ট্র ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নতুন করে চেষ্টা চালাচ্ছে দেশ দুটি। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে এ প্রক্রিয়া। এবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে পঞ্চম দফায় বৈঠকে বসেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। তবে ওই বৈঠক ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা নিশ্চিত করা যায়নি।
এ আলোচনার ফলে দ্বিপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমে আসবে বলে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
শনিবার (২৩ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, বৈঠকে ইরানের পক্ষে অংশ নেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএসএসসি) কয়েকজন মুখপাত্র। আর সৌদি আরবের পক্ষে অংশ নেন দেশটির গোয়েন্দা প্রধান খালিদ বিন আলী আম হুমাইদান।
ইরান ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত বৈঠকের ছবি
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দেশ দুইটির মধ্যকার সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এসএনএসসি পরিচালিত সংবাদমাধ্যম নুরনিউজ জানায়, এই বৈঠকের ফলে ভবিষ্যতে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের পথ অনেকটা প্রসারিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য "একটি উজ্জ্বল দৃষ্টিভঙ্গি"।
আরও পড়ুন: আবারও হকারদের দখলে নিউমার্কেটের ফুটপাত
২০১৬ সাল থেকে তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ রয়েছে। সে সময় সৌদি আরবে একদিনে ৮১ জনের মৃতুদণ্ড কার্যকর করা হয়য়, যাদের বেশির ভাগ ছিলেন শিয়া মুসলিম। শিয়া সম্প্রদায়ের প্রভাবশালী এক ধর্মীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রতিবাদে তেহরানে সৌদি দূতাবাসে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। ওই ঘটনার পর থেকেই ইরান ও সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ হয়।
সবশেষ ২০২১ সালের এপ্রিলে ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। সে সময় থেকে পাঁচটি বৈঠকই অনুষ্ঠিত হয়েছে বাগদাদে।
একাত্তর/আরবিএস