পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দাবদাহ চলছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে কনসার্ট, জনসমাগম। জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভয়াবহ দাবদাহ, দাবানল, খরা, বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছড়িয়ে পড়ছে। খারাপ হচ্ছে বায়ুমান।
সম্প্রতি ফ্রান্সের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ জানায়, তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।
অমৌসুমি দাবদাহে পুড়ছে জনজীবন। বিভিন্ন শহরে নিষিদ্ধ গণসমাগম। বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ঘরে রাখতে বলা হয়েছে শিশুদের।
গ্রীষ্মের আগেই চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবদাহের বিরুদ্ধে লড়ছে স্পেন। বিভিন্ন শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হিটস্ট্রোকের বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। বিরত থাকতে বলেছে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে। গত কয়েকদিন ধরে দাবানলে পুড়ছে উত্তর পশ্চিমের সিয়েরা কুলেব্রা অঞ্চল।
ছাই ৯ হাজার হেক্টর ভূমি। বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন অন্তত দুশো বাসিন্দা। দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছেন ফায়ারসার্ভিসের কর্মীরা।
শুক্রবার বছরের সবচেয়ে উষ্ণতম দিন রেকর্ড হয়েছে যুক্তরাজ্যে। তাপমাত্রা পৌঁছায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রার এ ধরা অব্যাহত রয়েছে।
অসময়ে এ তাপমাত্রা বৃদ্ধি খোলা জায়গায় উপভোগ করছেন লন্ডনবাসী। যদিও এমন পরিস্থিতি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির হুমকিকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।
জুন মাসে লন্ডনে গড়ে তাপমাত্রা থাকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ইতালি, জার্মানির মতো ইউরোপের অন্যান্য অংশেও তাপমাত্রা বাড়ছে।
আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাপী আবারও চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, বাড়ছে সংক্রমণ
ইতালির কৃষকরা জানান, দাবদাহের কারণে তাদের কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে। কমে যাচ্ছে নদী ও হ্রদের পানি। বারে বারে এমন হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদী সংকটের আশঙ্কা করছেন তারা।
বিশেষজ্ঞর বলেছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পুরো পৃথিবীতে ভয়াবহভাবে দাবানল, দাবদাহ, খরা, বন্যা ছড়িয়ে পড়ছে, খারাপ হচ্ছে বায়ুমান।