‘এক দেশ, দুই নীতি’র পক্ষে সাফাই গাইলেন শি

চীনের 'এক দেশ, দুই নীতি' ব্যবস্থা পরিবর্তনের কোনো কারণ নেই জানিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, হংকং শাসনে দীর্ঘমেয়াদে এ ব্যবস্থা চালু রাখা হবে।

শুক্রবার (১ জুলাই) হংকংয় হস্তান্তর দিবসে এ রাজনৈতিক নীতি সম্পর্কে নিজের অবস্থান এভাবেই তুলে ধরলেন তিনি। 

করোনা মহামারি শুরুর পর প্রথমবারের মতো চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে হংকংয়ে পা রাখলেন শি জিনপিং। এ উপলক্ষে শহরজুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা।

চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, এ ব্যবস্থার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ‘বিস্তৃত অনুমোদন’সহ শহরের বাসিন্দাদের ‘সর্বসম্মত অনুমোদন’ রয়েছে। আর হংকংয়ে ‘প্রকৃত গণতন্ত্র শুরু হয়’ চীনের অধীনে আসার পর থেকেই।

তিনি আরও বলেন, কোনো দেশ বা ভূখণ্ডের নাগরিকরা অ-দেশপ্রেমিক, এমনকি বিশ্বাসঘাতক, বাহিনী এবং জনগণকে রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হতে দেবে না।

হংকংয়ে নির্বাচনে শুধু ‘দেশপ্রেমিকরা’ যেন অংশ নিতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য সেভাবে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার করেছে চীন। এ নিয়ে তীব্র আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছে বেইজিং। 

আরও পড়ুন: আগামী ২৫ বছরে কেমন হতে পারে হংকংয়ের চিত্র?

যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হংকংয়ে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা নীতি’ বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। এর আওতায় হস্তান্তরের ৫০ বছর পর্যন্ত অর্থাৎ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত অঞ্চলটিতে ব্যাপক স্বায়ত্তশাসন, অবাধ ব্যক্তি অধিকার ও বিচারিক স্বাধীনতা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছিল চীন।

উল্লেখ্য, প্রতি বছরের ১ জুলাই হস্তান্তর দিবস উদযাপন করে হংকং। ১৯৯৭ সালের এদিন ব্রিটেনের কাছ থেকে চীনের অধীনে আসে শহরটি।


একাত্তর/এসজে