তেহরানের পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন ঠেকিয়ে রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইয়াইর লাপিদ।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) একতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে দুই নেতা এ বিষয়ে যৌথ একটি চুক্তি সই করেছেন।
এর আগে বুধবার (১৩ জুলাই) মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসাবে ইসরায়েল পৌঁছান জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার জেরুজালেমে ইসরাইলি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তাদের আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে ইরান ইস্যু।
ইরান নিয়ে দুই নেতাই একই উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌথ চুক্তি সই করেছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকতারা।
আনুষ্ঠানিক চুক্তি সইয়ের আগেই বাইডেন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একটি কনফারেন্স কলে সাংবাদিকদের কাছে বিবৃতি দিয়ে দুই নেতার যৌথ ঘোষণাপত্রের বিবরণ দেন।
বিবৃতিতে ইসরাইলের নিজেকেই নিজের সুরক্ষিত রাখার অধিকারে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে এবং নতুন চুক্তির আওতায় দুই দেশের এরই মধ্যে গড়ে ওঠা নিবিড় নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
ইরানের পরমাণু অস্ত্র ঠেকানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে এমনকী শেষ পন্থা হিসাবে শক্তি ব্যবহারেরও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে ইসরায়েলের সঙ্গে এই চুক্তিতে।
তেহরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: সৌদি এয়ারলাইনসের বিমানে সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন গোতাবায়া
বিশ্বের শক্তিধর ছয় দেশের সঙ্গে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কমিয়ে এনেছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর ইরান আবার পরমাণু কর্মসূচি জোরদার করেছে।
বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রর প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপকে ভুল আখ্যা দিয়ে ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি আবার পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি বাড়িয়ে যেতে থাকায় বাইডেনের সেই চেষ্টা মুখ থুবড়ে পড়ছে।
একাত্তর/এসজে