করোনার পর চীনে আরও এক নতুন ভাইরাস, আক্রান্ত ৩৫

চীনে নতুন আরেকটি ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ানো এ ভাইরাসের নাম ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। 

জ্বর, ক্লান্তি, পেশী ব্যথা, ক্ষুধা কমে যাওয়া, বমি ভাব এ রোগের উপসর্গ। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তির কিডনি ও যকৃত। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

করোনা যেতে না যেতেই চীনে শনাক্ত হয়েছে ল্যাংয়া ভাইরাস। ছড়াচ্ছে প্রাণী থেকে মানুষে। তবে করোনার মতো মানুষ থেকে মানুষে ছড়াচ্ছে কিনা তা জানা যায়নি। 

সোমবার তাইওয়ানের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিভাগ টিসিডিসি জানায়, চীনের মূলভূখণ্ড শানডং ও হেনান প্রদেশে ৩৫ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। 

উৎস ও বিস্তার অনুসন্ধানে নিউক্লিক এসিড পরীক্ষা শুরু করেছে টিসিডিসি। এনিয়ে সতর্কতা জারি করেছে সংস্থাটি। পরামর্শ দিয়েছে ভাইরাসের তথ্য গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের। 

বলা হয়, সেরোলজিক্যাল জরিপে দুই শতাংশ ছাগল, পাঁচ শতাংশ কুকুর ও অন্যান্য গৃহপালিত প্রাণীর মধ্যে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। 

নতুন এই ভাইরাসটির জিনোম সিকোয়েন্স ও পর্যবেক্ষণ বাড়াতে গবেষণাগার আরো উন্নত করার কথা জানিয়েছে টিসিডিসি।

জ্বর, ক্লান্তি, কাশি, ক্ষুধা কমে যাওয়া, পেশিতে অস্বস্তি, বমি ভাব, মাথা ব্যথায় ভুগছে আক্রান্তরা। কমে গেছে রক্তে শ্বেতকণিকা ও প্লেটলেটের পরিমাণ। 

আরও পড়ুন: ব্রিটেনে ৪০ বছরের ইতিহাসে জ্বালানির মূল্য সর্বোচ্চ বৃদ্ধি

আট শতাংশের কিডনি ও যকৃতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ ভাইরাসে এখনো পর্যন্ত কারো মৃত্যু হয়নি। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা ভয়াবহ হতে পারে ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস।

ল্যাংয়া ভাইরাসটি সম্প্রতি শনাক্ত করা হয়েছে। তাইপে সিডিসি জানিয়েছে, নিউক্লিক এডিস পরীক্ষার মাধ্যমে মানুষে বিস্তার সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া যাবে। 

এদিকে, সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য আক্রান্ত অঞ্চলের চারপাশে কয়েক হাজার মাইল পর্যন্ত বেড়া তৈরি করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ।


একাত্তর/আরবিএস