রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার ৭০তম জন্মদিনে অনেক উপহার নিশ্চয়ই পেয়েছেন। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে অদ্ভুত উপহার দেয়ার কৃতিত্ব বোধহয় পাচ্ছেন তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ও বেলারুশের প্রেসিডেন্ট অ্যালেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো।
শনিবার (৯ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেন্ট পিটারসবার্গে পুতিনের বাসভবনে আলোচনার পর একথা নিশ্চিত করেছেন লুকাশেঙ্কো নিজে।
ইউক্রেনে যখন তুমুল যুদ্ধ চলছে, তখন শুক্রবার (৭ অক্টোবর) জন্মদিনে নিজের বাড়িতে সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্রের নেতাদের দাওয়াত দেন পুতিন। এসময় দখল করা অঞ্চলগুলোর পরিস্থিতিকে 'অস্থির' বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে জন্মদিনে মিত্ররা নানা বিলাসবহুল উপহার দিয়েছেন ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া শাসন করা এই নেতাকে।
ইউরোপের 'শেষ একনায়ক' হিসেবে পরিচিত লুকাশেঙ্কো পুতিনের জন্য নিয়ে আসেন বেলারুশিয়ান শিল্পের ট্রেডমার্ক ট্রাক্টরের একটি গিফট সার্টিফিকেট।
এই উপহার পুতিন ঠিক কীভাবে নিয়েছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করে বলা যায়নি। তবে লুকাশেঙ্কোর ট্রাক্টর উপহারকে প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে তাজিক প্রেসিডেন্টের বাঙ্গি ও তরমুজের পাহাড়ের সাথে।
উপহারের পাশাপাশি পুতিনের ওপর নানা প্রশংসাসূচক বাণীও বর্ষণ করেছেন তার মিত্ররা। রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এর চেহারা পাল্টে দিয়ে জাতীয় স্বার্থকে রক্ষা করছেন পুতিন, বলেন রাশিয়ান অর্থোডক্স চার্চের প্রধান প্যাট্রিয়ার্ক কিরিল।
পুতিনকে পৃথিবীর এক নম্বর দেশপ্রেমিক বলে আখ্যা দেন চেচনিয়ার মস্কো সমর্থিত নেতা রমজান কাদিরভ।
অন্যদিকে, 'যুক্তরাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জ ও হুমকিকে পিষে দেয়ার জন্য' পুতিনকে ধন্যবাদ জানান উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।
আরও পড়ুন: অভিবাসী সংকট: নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা
তবে জন্মদিনে পুতিনের সমালোচনা করার সুযোগও হাতছাড়া করেননি বিরোধীরা। পুতিন নিজের দেশকে ধ্বংস করে অন্য দেশের ক্ষতি করছেন বলে মন্তব্য করেন অনেকে।
এদিন চেক রিপাবলিকের রাজধানী প্রাগে সোনার টয়লেটে উলঙ্গ অবস্থায় বসে থাকা পুতিনের ডামি প্রদর্শন করে বিক্ষোভকারীরা।
একাত্তর/এসজে