ইউক্রেনে দখল করা চার অঞ্চলে এবার সামরিক আইন জারি করেছেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বুধবার (১৯ অক্টোবর) রুশ ফেডারেশনের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই আদেশ জারি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) থেকেই সামরিক আইন কার্যকর হবে।
সামরিক আইন জারির ফলে এসব এলাকার জনসাধারণের চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হলো। এই আইন কার্যকরের ফলে জাপোরিঝঝিয়া, খেরসন, লুহানস্ক ও দোনেৎস্কের জনসাধারণ চাইলেও আর অন্য এলাকায় যেতে পারবেন না।
রুশ ফেডারেশনের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আগে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণ দেন পুতিন। এসময় ইউক্রেনের এই অঞ্চলগুলোয় যুদ্ধ জোরদার করতে রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কাউন্সিল গঠনের আদেশ দিয়েছেন তিনি।
পুতিন বলেন, ‘এই অঞ্চলে আমাদের মানুষদের সুরক্ষা, রাশিয়ার নিরাপত্তা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আমাদের বেশকিছু কঠিন কাজ করতে হচ্ছে। যেসব রুশ নাগরিক যুদ্ধ করছেন, যাঁরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের যে সমর্থন সেটা অনুভব করা উচিত।’
এই অঞ্চলগুলোর সরকারপ্রধানদের জরুরি কিছু ক্ষমতা দেওয়া হবে বলে জানালেও, কী কী ক্ষমতা দেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।
পুতিন বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি রাশিয়ার সব অঞ্চলের প্রধানদের অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেই তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন: খেরসন বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে রাশিয়া
পুতিন জানিয়েছেন, তিনি যে ব্যবস্থাগুলি নেওয়ার কথা বলেছেন তা রাশিয়ার সামরিক অভিযানের অনুকূলে অর্থনীতি, শিল্প ও উৎপাদনের স্থিতিশীলতাকে বৃদ্ধি করবে।
গত মাসে এসব অঞ্চল নিজেদের বলে ঘোষণা দেয় রাশিয়া। এর জবাবে এসব এলাকায় পাল্টা হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন।
একাত্তর/এসজে