'সন্ত্রাসী প্রোপাগান্ডার' অভিযোগে তুর্কি চিকিৎসক গ্রেপ্তার

কুর্দিশ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত করার দাবি জানানোয় তুরস্কের মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শবনম কোরুর ফিনকান্সির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী প্রোপাগান্ডা ছড়ানো ও তুরস্ককে অপমান করার অভিযোগ আনা হয়েছে। 

মানবাধিকার কর্মী হিসেবে সুপরিচিত শবনম কোরুর ফিনকান্সি কুর্দিশ সমর্থক গণমাধ্যমে এসব মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে। 

পিকেকে-কে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র। সংগঠনটির বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে তুরস্ক। 

গত সপ্তাহে পিকেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে তুর্কি সেনারা একটি গুহার ভেতর এক ধরণের পদার্থ ছড়িয়ে দিচ্ছে বলে তারা দাবি করে। এক পুরুষ ও এক নারী যোদ্ধার ওপর পদার্থটির প্রভাবও  দেখা যায় ভিডিওতে। 

পিকেকে আরও দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরাকের উত্তরাঞ্চলে এই অস্ত্রের কারণে নিহত ১৭ যোদ্ধাকে সনাক্ত করেছে তারা। 

গ্রেপ্তার হওয়া শবনম কোরুর ফিনকান্সি একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ। মেদিয়া হেবার টিভিকে তিনি বলেন, তিনি ভিডিওটি দেখেছেন এবং সেখানে স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলা বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে বলে তার বিশ্বাস। 

আরও পড়ুন: রুশ সুপারইয়ট বাজেয়াপ্ত করতে দক্ষিণ আফ্রিকার অস্বীকৃতি

তুরস্কের কুর্দিশ সমর্থক এইচডিপি পার্টির প্রধান সালেহাতিন দেমিরতাস, যিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন, ফিনকান্সির এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তদন্তের আহবান জানিয়েছেন। 

এদিকে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনে নিষিদ্ধ এসব রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে না দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। এমন অভিযোগ তোলায় ফিনকান্সির নিন্দা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রিচেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। 


একাত্তর/এসজে