উত্তর কোরিয়ার যেকোন পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষার ‘দাঁতভাঙ্গা জবাব’ দেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার তিতিবিরক্ত হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এই হুশিয়ারি দিলো বন্ধুপ্রতীম তিন দেশ।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) টোকিওতে এই বৈঠকে আলোচনার পর এই তিন দেশের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, তারা এই অঞ্চলে তাদের প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করবে। সে সঙ্গে উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ আলোচনায় ফিরিয়ে আনায় উপায় বের করতেও রাজি হয়েছে তিন দেশ।
দক্ষিণ কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন-দং বলেন, আমরা সহযোগিতা আরও জোরদারের ব্যাপারে রাজি হয়েছি, যাতে উত্তর কোরিয়ার অবৈধ কর্মকাণ্ড দ্রুত বন্ধ করা যায়। উত্তর কোরিয়া তাদের সপ্তম পরমাণু পরীক্ষা নিয়ে অগ্রসর হলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়ার বিষয়ে একমত হয়েছি।
সিউল ও ওয়াশিংটন বারবার সতর্ক করে দিয়ে বলে আসছে যে, পিয়ংইয়ং ২০১৭ সালের পর প্রথমবার একটি পরমাণু বোমার পরীক্ষা চালানোর কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণেই নড়চড়ে বসতে চাইছে তিনটি দেশ।
আরও পড়ুন: ইসলামাবাদ অভিমুখে ইমরান খানের লংমার্চ
জাপানের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী তাকিও মোরি বলেন, উত্তর কোরিয়ার ব্যাপক পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি একটি স্পষ্ট ও গুরুতর চ্যালেঞ্জ। আমরা উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারটি বিবেচনা করে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে রাজি হয়েছি।
এই তিন মন্ত্রী জানান, তারা ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও আলোচনা করেছেন। তবে মোরি ও চো বলেন, সেখানে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে কোন আলোচনা হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরে এ আলোচনা আটকে রয়েছে।
একাত্তর/এসজে