রুশ তেলের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ নিয়ে বিভক্তি বাড়ছে ইউরোপে

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার তেলের সর্বোচ্চ দাম ব্যারেল প্রতি ৬২ মার্কিন ডলার করার প্রস্তাবে রাজি হয়নি ইউরোপের তিন দেশ। মার্কিন তদবিরেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে একম হয়নি পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া ও লিথুয়ানিয়া। এই তিন দেশের দাবি, রাশিয়াকে চাপে ফেলতে তেলের আরও কমাতে হবে।  

বুধবার মার্কিন গণমাধ্যম পলিটিকো'র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে, ইইউ কমিশন সদস্য দেশগুলোর কাছে রুশ তেলের সর্বোচ্চ মূল্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া বিষয়ক উক্ত প্রস্তাব পেশ করে।

পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া ও লিথুয়ানিয়ার পাশপাশি ইউক্রেনও মনে করে, রুশ তেলের দর ৬০ ডলারের অনেক কম নির্ধারণ করা হোক। তবে গ্রিস, সাইপ্রাস ও মাল্টা মনে করে, রুশ তেলের দাম একটু বেশি নির্ধারণ করা হোক যাতে, জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল থাকে। 

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবতা হচ্ছে, রাশিয়ার তেলের দাম ঠিক কত নির্ধারণ করা হলে ক্রেমলিন প্রকৃত অর্থে চাপের মুখে পড়বে তা পশ্চিমারা এখনো ঠিক করতে পারছে না। 

আরও পড়ুন: বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন যে, দেশের স্বার্থ লঙ্ঘন করে বিদেশে কোনো পণ্য রপ্তানি করবে না মস্কো। যেসব দেশ রুশ তেলের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেবে, সেসব দেশে তেলও রপ্তানি করবে না রাশিয়া।

পুতিনের এমন হুমকির মুখে নতুন করে চাপে পড়েছে ইউরোপ। আন্তর্জাতিক বাজারে রাশিয়ার জ্বলানি না আসলে বিশ্বজুড়ে নতুন করে বাড়তে পারে জ্বালানির দাম। এর ফলে সবচেয়ে বড় সংকটে পড়বে ইউরোপ।  


একাত্তর/আরবিএস