পাঁচ দেশফেরত সব যাত্রীদের আরটি পিসিআর টেস্ট করার বাধ্যবাধকতা জারি করেছে ভারত। এই পাঁচ দেশ হলো চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং এবং থাইল্যান্ড।
দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, যারা এসব দেশ থেকে আসছেন, তাঁদের আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক। কারও রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে কোয়ারেন্টাইন করা হবে।
চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশে ভয়াবহ আকার নিয়েছে করোনা। তাই ঝুঁকি এড়াতে আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রীদের জন্য বিশেষ করোনা বিধি জারি করেছে ভারত।
এবার থেকে প্রতিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক। শনিবার থেকেই এই নির্দেশ বহাল করা হয়েছে। সকাল থেকে দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টেস্ট শুরু হয়েছে।
চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে ওমিক্রনের নতুন প্রজাতি। তাই ঝুঁকি এড়াতে বিদেশ ফেরত যাত্রীদের জন্য সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারত।
ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জানান, শনিবার থেকেই প্রতিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটি পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিশেষ করে, যারা চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং এবং থাইল্যান্ড থেকে আসছেন, তাঁদের এই টেস্ট বাধ্যতামূলক। কারও রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে কোয়ারেন্টাইন করা হবে।
শনিবার সকাল থেকেই দিল্লি বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক বিদেশ ফেরত যাত্রীদের টেস্ট শুরু করা হয়েছে। এছাড়া বিমানে ওঠার আগে সকলেরই থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে।
কারও করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তাঁকে আইসোলেট করা হচ্ছে। বিদেশ ফেরত কোনও যাত্রীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁর নমুনা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।
করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ভারতে ঢুকছে কিনা সেটা জানতেই কোভিড পজিটিভ রোগীরা নমুনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
এছাড়া আবারও জমায়েত এড়িয়ে চলা এবং সবাইকে মাস্ক পরারও বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন হয় অক্সিজেনের।
আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পকে অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ
কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দেশজুড়ে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিয়েছিলো। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে দেশে না হয়, তার জন্য এখন থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রতিটি হাসপাতাল সহ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অক্সিজেন সরবরাহ যাতে পর্যাপ্ত থাকে, সেদিকে নজর দেয়ার জন্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
একাত্তর/এসজে